Labbaik Allahumma Labbaik — From @rab

Labbaik Allah humma labbaik

Labbaik la sharika laka labbaik

Innal hamda

Wan-ni’mata

Laka walmulk

Laa sharika lak.

O my Lord, here I am at Your service, here I am.

There is no partner with You,

here I am.

Truly the praise

and the provisions are Yours,

and so is the dominion and sovereignty.
more + 

Here I am, O Allah, here I am!

There is none comparable to You and to You I have come, Here I am!

Verily all Praise and Grace are Yours and the Kingdom

One Beloved are You, without a partner. In my Heart there is room for none, only You.

Here I am, O Allah, here I am!

(a non linear (not literal) translation of the Talbiya sung by all pilgrims at Hajj, a powerful chant for Zikr, or Divine Remembrance as well)

Advertisements

ঘুড়ি – জামিল আশরাফ

Posted by jajabor kobi
দেয়ালে টাঙ্গানো যে ঘুড়িটি,
তা আর উড়বে না আকাশে।
দেখতে দেখতে সাদা রঙ্গা সে
ঘুড়িটি হয়ে যাবে ফ্যাকাশে।
আস্তে আস্তে জমবে ধূলো তাতে,
এক সময় বার্ধক্যের মত চিড়
ধরে তা হয়ে যাবে ধ্বংস-নিবিড়;
এইযে দেখছেন এই ঘুড়িটি,
তা আর উড়বে না আকাশে।
কারণ, এ ঘুড়িটি যে উড়াতো
সে-ই উড়ে গেছে আকাশে।

এ কেমন ভ্রান্তি আমার – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

Posted by Asadullah
এ কেমন ভ্রান্তি আমার !

এলে মনে হয় দূরে স’রে আছো, বহুদূরে,

দূরত্বের পরিধি ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে আকাশ।

এলে মনে হয় অন্যরকম জল হাওয়া, প্রকৃতি,

অন্য ভূগোল, বিষুবরেখারা সব অন্য অর্থবহ-

তুমি এলে মনে হয় আকাশে জলের ঘ্রান।

হাত রাখলেই মনে হয় স্পর্শহীন করতল রেখেছো চুলে,

স্নেহ- পলাতক দারুন রুক্ষ আঙুল।

তাকালেই মনে হয় বিপরীত চোখে চেয়ে আছো,

সমর্পন ফিরে যাচ্ছে নগ্ন পায়ে একাকী বিষাদ- ক্লান্ত

করুণ ছায়ার মতো ছায়া থেকে প্রতিচ্ছায়ে।

এলে মনে হয় তুমি কোনদিন আসতে পারোনি..

কুশল শুধালে মনে হয় তুমি আসোনি

পাশে বসলেও মনে হয় তুমি আসোনি।

করাঘাত শুনে মনে হয় তুমি এসেছো,

দুয়ার খুল্লেই মনে হয় তুমি আসোনি।

আসবে বললে মনে হয় অগ্রিম বিপদবার্তা,

আবহাওয়া সংকেত, আট, নয়, নিম্নচাপ, উত্তর, পশ্চিম-

এলে মনে হয় তুমি কোনদিন আসতে পারোনি।

চ’লে গেলে মনে হয় তুমি এসেছিলে,

চ’লে গেলে মনে হয় তুমি সমস্ত ভূবনে আছো।

প্রেমিকা – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

Posted by Asadullah
.
কবিতা আমার ওষ্ঠ কামড়ে আদর করে

ঘুম থেকে তুলে ডেকে নিয়ে যায়

ছাদের ঘরে

কবিতা আমার জামার বোতাম ছিঁড়েছে অনেক

হঠাৎ জুতোর পেরেক তোলে!

কবিতাকে আমি ভুলে থাকি যদি

অমনি সে রেগে হঠাৎ আমায়

ডবল ডেকার বাসের সামনে ঠেলে ফেলে দেয়

আমার অসুখে শিয়রের কাছে জেগে বসে থাকে

আমার অসুখ কেড়ে নেওয়া তার প্রিয় খুনসুটি

আমি তাকে যদি

আয়নার মতো

ভেঙ্গে দিতে যাই

সে দেখায় তার নগ্ন শরীর

সে শরীর ছুঁয়ে শান্তি হয় না, বুক জ্বলে যায়

বুক জ্বলে যায়, বুক জ্বলে যায়।

কবিতার বই

সুনীলগঙ্গপাধ্যায়

শরীরের যুদ্ধ থেকে বহুদূর চলে গিয়ে ফিরে আসি শরীরের কাছে কথা দিয়েছিলে তুমি উদাসীন সঙ্গম শেখাবে- শিশিরে ধুয়েছো বুক, কোমল জ্যোঃস্নার মতো যোনি মধুকূপী ঘাসের মতন রোম, কিছুটা খয়েরি কথা দিয়েছিলে তুমি উদাসীন সঙ্গম শেখাবে- আমার নিশ্বাস পড়ে দ্রুত, বড়ো ঘাম হয়, মুখে আসে স’তি কথা দিয়েছিলে তুমি উদাসীন সঙ্গম শেখাবে। নয় ক্রুদ্ধ যুদ্ধ, ঠোঁটে রক্ত, জঙ্ঘার উত্থান, নয় ভালোবাসা ভালোবাসা চলে যায় একমাস সতোরো দিন পরে অথবা বৎসর কাটে, যুগ, তবু সভ্যতা রয়েছেআজও তেমনি বর্বর তুমি হও নদীর গর্ভের মতো, গভীরতা, ঠান্ডা, দেবদূতী কথা দিয়েছিলে তুমি উদাসীন সঙ্গম শেখাবে। মৃত শহরের পাশে জেগে উঠে দেখি আমার প্লেগ, পরমাণু কিছু নয়, স্বপ্ন অপছন্দ হলে পুনরায় দেখাবার নিয়ম হয়েছে মানুষ গিয়েছে মরে, মানুষ রয়েছে আজও বেঁচে ভুল স্বপ্নে, শিশিরে ধুয়েছো বুক, কোমল জ্যোৎস্নার মতো যোনী তুমি কথা দিয়েছিলে….. এবার তোমার কাছে হয়েছি নিঃশেষে নতজানু কথা রাখো! নয় রক্তে অশ্বখুর, স্তনে দাঁত, বাঘের আঁচড় কিংবা ঊরুর শীৎকার মোহমুগ্ধরের মতো পাছা আর দুলিও না, তুমি হৃদয় ও শরীরে ভাষ্য নও, বেশ্যা নও, তুমি শেষবার পৃথিবীর মুক্তি চেয়েছিলে, মুক্তি, হিমযুগ, কথা দিয়েছিলে তুমি উদাসীন সঙ্গম শেখাবে।।